ফরেক্স ট্রেডিং

প্রথম অংশ না পড়ে থাকলে আগে সেটি পড়ে আসুন
ফরেক্স ট্রেডিং এর একটি সিম্পল ও সত্য পথ- (এডভান্স ট্রেডারদের জন্য)- ১ম পার্ট

Fx-Mrithunjoy: ফরেক্স মার্কেট হচ্ছে বিকেন্দ্রীকরন একটি মার্কেট যা চরম বিশৃংখলা ভাবে চলে যার কোন নিয়ম নেই। ফরেক্স মার্কেটের অংশগহনকারীরাই ফরেক্স এর প্রাইজ নির্ধারন করে এবং অংশগ্রহনকারীরা একটি মই এর মত সিরিয়ালি অবস্থান করে। এই ফরেক্স মার্কেটের অংশগ্রহনকারী মইয়ের সবার উপরে ইন্টার ব্যাংক মানে সেন্ট্রাল ব্যাংক বা সেরকম বড় বড় ব্যাংক অবস্থান এ থাকে এবং পৃথিবীর বড় বড় লেনদেনগুলো সেখানেই হয়ে থাকে। তোর নিচে থাকে বিভিন্ন দেশের বড় বড় ও কিছু ব্যাংক তারা সরাসরি এক অপরের সাথে Electronic Brokering Services (EBS) বা the Reuters Dealing 3000-Spot Matching এর সাহায্যে লেনদেন করে থাকে। এইদুটি সিষ্টেম হচ্ছে কোক আর পেপসি এর মত, প্রায় একই। তারা একে অপরের সাথে স্থীর যুদ্ধ করে মার্কেটের শেয়ার লেনদেন করে। কিন্তু যখন এই দুটি কম্পানী একই সাথে একটি নির্দিষ্ট কোন মুদ্রাকে ক্রয় করতে চায় তখনি সেটার মুল্য প্রচুর প্ররিমানে বেড়ে যায়। ( আমাদের উচিত এই সময়ের আগে ট্রেড করা এবং এই সিচুয়েশন গুলো ধরতে হবে পড়াশুনার মাধ্যমে) ইবিএস প্লাটফরম এ- EUR/USD, USD/JPY, EUR/JPY, EUR/CHF ও USD/CHF পেয়ার এ প্রচুর তারল্য সৃষ্টি করে আর Reuters platform করে GBP/USD, EUR/GBP, USD/CAD, AUD/USD,ও
NZD/USD পেয়ারগুলোতে। উপরের সকল প্রকার ব্যাংকগুলো সবাই একসাথে বর্তমান প্রাইজ দেখতে পারে এবং তারা সর্বদা বর্তমান প্রাইজ এ অফার করে কেনা বেচা করার জন্য।

কিন্তু এটা গুরুত্বপুর্ন নয় যে, তাদের সেই প্রাইজগুলোতে আমাদের সবসময় কেনাবেচা করতে হবে। কিন্তু বাঙ্গালী 24 ঘন্টা লাইগা থাকে ট্রেড ধরার জন্, বাঙ্গালী- হেতেরা ট্যা-ক-নি-ক্যা-ল আর- ছি-গ-লা-ল কিন্না কেনাবেচা কইরা ধরা খাইয়া আস্তায় বইসা ভাবে – ভিক্ষা করুম নাকি।)

তারপর এই ফরেক্স মইয়ের পরের ধাপে আছে হেজ ফান্ড, করপোরেশন, খুচরা মাকেট মেকার, এবং খুচরা ইসিএন ব্রোকার।

আর আমাদের জন্য জায়গা হচ্ছে – খুচরা মাকেট মেকার, এবং খুচরা ইসিএন ব্রোকার এর আন্ডারে।

তো শেষের এই ইনষ্টিটিউটগুলোর সাথে একদম মই এর উপরের অবস্থানে থাকা ইন্টারব্যাংক এর সাথে তে কোন ভাল রিলেশন থাকে না, তাই এদের প্রাইজ রেইট ইন্টারব্যাংক এর থেকে একটু হাই থাকে।( মাইনে হইল- স্প্রেড)।

একদম ফরেক্স মইয়ের উপরে থাকা ইন্টার ব্যাংক গুলোতে আমাদের মত ছোট খাটো অল্প পুজির মানুষদের কুন চান্স নাই, তাই আমি ধন্যবাদ জানাই খুজরা মার্কেট মেকার ব্রোকারদের – হেতেরাই আমাগো ১ ডলার দিয়া ট্রেড করার।

ফরেক্স এর প্রধান প্রধান লেনদেন যেভাবে হয়:

ফরেক্স মার্কেটের সুপার ব্যাংক:

ফরেক্স মার্কেট হল একটি বিকেন্দ্রীকরন মার্কেট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যাংকগুলো ফরেক্স এর প্রাইজ বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সাপ্লাই ও ডিমান্ড এর উপর নিভর করে নির্ধারণ করে থাকে । আর তার নিচের লেভেলের ব্যাংকগুলো ইন্টারব্যাংক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারা তাদের মধ্যে এবং খুচরা ট্রেডার, করপোরেশন, হিউজ ফান্ড ও মার্কেট মেকার দের সাথে লেনদেন করতে থাকে। সেই সুপারব্যাংকগুলোর মধ্যে UBS, Barclays Capital, Deutsche Bank, ও Citigroup অন্যতম। এক কথায় আমাদের বলা উচিত যে, সুপার ব্যাংকগুলোর মার্কেট ই হল ফরেক্স্ মার্কেট।

(এরা যে কারনে লেনদেন করে আমাদের তা জনতে হবে। আর ঐ সময় ই ট্রেড করতে হবে)

বড় কমার্শিয়াল কম্পানী:

বড় কোম্পানীগুলো হচ্ছে ফরেক্স মার্কেটের একটি অংশ – যেখানে তাদের ব্যবসা বানিজ্য করার জন্য বিভিন্ন বৈদেশিক মৃদ্রা বিনিময়ের একটা খৃবই সহজলভ্য পথ। উদাহরনস্বরুপ – এপেল কোম্পানী অব্শ্যই ডলার ভেঙ্গে ইয়েন করবে যখন এপেল কোম্পনী জাপান থেকে তাদের কোম্পানীর জন্য ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট কিনবে।
এদের ট্রেড ভলিয়ম অবশ্যই সাভাবিকভাবে ইন্টারব্যাংক গুলোর থেকে কম হবে। এই সব মার্কেট প্লেয়াররা সাধারনত কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোর সাথে তাদের লেনদেন করে থাকে। এই সব বড় বড় কোম্পানীগুলো কিন্তু তাদের লেনদেন করাতে মার্কেটে প্রচুর পরিমানে আপ/ডাউন করাতে পারে।

এরা মূলত মার্কেট যখন স্থীরতায় থাকে তখন ট্যাকনিকাল এর উপর বেস করে লেনদেন করে। তাই যারা ট্যাকনিকাল দিয়ে ট্রেড করেন তাদেরকে অবশ্যই এদের বিষয় এ সম্পুর্ন
ঞ্জান অর্জরন করতে হবে)

সরকার এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক:

বিভিন্ন দেশের সরকার ও তাদের সেন্ট্রাল ব্যাংক – যেমন the European Central Bank, the Bank of England, ও the Federal Reserve ব্যাংক সরাসরি প্রায় প্রতিদিন ই ফরেক্স মার্কেটের সাথে সংযৃক্ত থাকে। যেমনভাবে বিভিন্ন কোম্পানীগুলো তাদের কাজের জন্য লেনদেন করে ফরেক্স মার্কেটে ঠিক তেমনিভাবে দেশের সরকার ও তাদের ইন্টারন্যাশনাল বিসনেজ ও বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ব করার জন্য ব্যবহার করে থাকে।

যখন সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলো তাদের দেশের মুদ্রার মুদ্রাস্ফিতি কন্ট্রোল করার জন্য ইন্টারেষ্ট রেইট নির্ধ্ারন করে, তখন ফরেক্স মার্কেটে প্রচুর পরিমানে মুভমেন্ট দেখা যায়।তাছাড়াও যদি তারা তাদের কারেন্সীর রেইট মনে করে যে অনেক হাই বা লো, তখন তারা তাদের কন্ট্রোলে আনার জন্য প্রচৃর পরিমানে বিভিন্ন কারেন্সি কেনা বেচা করে থাকে। ফলে ফরেক্স মার্কেটে প্রচুর পরিমানে মুভমেন্ট দেখা যায়।

এই লেনদেনগুলা তাদের অফিশিয়াল সময়ে ঘটে।

বাক্য বা বত্তৃতা:

“In it to win it!” যদি এটা ধরতে পারেন তাহলে জিততেও পারেন। এটা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক এটা মন্ত্র। আপোসে ৯০% ট্রেড ভলিয়ম বন্ধ হয়ে যায় যখন একটি বত্তৃতা শুরু হয়। বত্তৃতা ডিক্লিয়ার হওয়ার সাথে সাথে মার্কেটে জ্যাম দেখা যায়। সবাই একই দিকে একই পথে চলতে থাকে। – উদাহরন স্বরুপ ইউএসডির এফওএমসি।

আশাকরি এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভাল লেগেছে। আমার বাঙ্গালী ভাইদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ থাকবে যে তারা যেন কোন সিগনাল বা ইন্ডিকেটর বা শুধুমাত্র ট্যাকনিকাল বেসিস ট্রেড না করে ফরেক্স মার্কেট কে বুজতে চেষ্টা করুন এবং শিখুন। ভাল থাকবেন।

যারা আপনাগো কাছে ১,০০০ বা ৩,০০০ ট্যাকা দিয়া সিগনাল দেয়, হেই শালারা কিসের লাইগা এই কাজ করে আজও বুজলাম না। সিগনাল দিয়া যদি জিতাই যায়, তাহলে শালারা তো বিলিয়নার হইয়া যাওন কথা। এই ১,০০০ বা ৫,০০০ ট্যাকা তো তাদের কাছে কিছুই না।কষ্ট কইরা এড কইরা মাইনষেরে উল্টাপাল্টা বুঝায়া মাত্র ১,০০০ বা ৫,০০০ ট্যকার জন্য এত কষ্ট করে। দুখ হয় তাগো দেখলে। আর রাগ উঠে যারা এগুলা ট্যাকা দিয়া কিনে।, অনেক পাগল আছে, ট্যাকা দিয়া রোবট ও কিনে। আরে যে রবটের মালিক হেও তো প্রতিদিন ১ টা কইরা বিল-গেটস কেনার কথা, যদি সেইটা দিয়া লাভ করন যাইত। যাই হোক, বাঙ্গালীগো এই উল্টাপাল্টা করতে করতে ২-৩ বছর চইলা যাইবো লগে বহুত ট্যাকা , ধর্য্য সবই যাইব। মাগার লেহাপড়া কইরা শিখত না।

ট্রেডিং ষ্পট ফরেক্স মার্কেট হল ডি-সেন্ট্রালইজ। মানে সবাই আলাদা আলাদা ভাবে ইহাকে চালায়। তাই পৃথিবীর কোন ব্যাক্তি , এমনকি তাদেরিই কোন ব্যাংক ও নিশ্চিত ভাবে বলিতে পারিবে না যে এখন ও ১০ মি: পর প্রাইজ কুথায় যাইবে।

US Dollar is King in Forex.

ডলার হইল ফরেক্স মার্কেটের কিং মাইনে রাজা। এরা একাই ৬২-৬৮%।
এর কারন কি?
এর কারন বেশ কয়েকটি।

১) পৃথিবীর বড় বড় ইনভেষ্টর, বিজনেজ ম্যান এবং বড় সেন্ট্রাল ব্যাংক ডলারের সাথে থাকে।
২) আমেরিকার ইকোনমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইকোনমি।
৩) পৃথিবীতে ডলার ই হচ্ছে একমাত্র রিজার্ব কারেন্সী।
৪) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তরল মুদ্রা বাজার শুধুমাত্র আরেরিকাতেই আছে যার ধারের কাছেই কেউ নেই।
৫) পৃথিবীল একমাত্র আমেরিকার ই সুপার ষ্টেবল সিষ্টেমের পলিটিকস আছে।
৬) পুথিবীর সবচেয়ে বেশী সামরিক শক্তি আছে এবং সে যে কোন মুহুর্তে ২০ বছর পর্যন্ত একসাথে ১০টি দেশের সাথে যুদ্ধ করার সাহস রাখতে পারে। (বিদ্র: পৃথিরীর সকল সামরিক শক্তি মিলেও তার সমান হবে না)
৭) গোল্ড এবং তেল কেনা বেচা করতে ডলার আগে কিনে তারপর আন্তর্জাতিক বাজারে কেনাবেচা করতে হয়।

তাহলে বুজতেই পারছেন যে, ডলারের উপর অনেক কিছুরই প্রভাব আছে। আমার জানা মতে ১জন কে পেয়েছি যে ৪বছর ধরে ট্রেড করছে এবং সে ডলারের উপর খুদ্ধ। কারন ডলার তেল ও সোনার উপর ৮০% সময় নির্ধারিত হয় যা পৃথিবীর কেউ বলতে পারবে না যে এখন বাড়বে না কমবে। আর ২০% সময় চলে আমেরিকার অর্থনৈতিক নিউজের উপর। আবার তেল ও সোনার দামও আমেরিকার অর্থনৈতিক নিউজ এর উপর নির্ভর করে।
আর যুদ্ধ তো আছেই ডলারকে নরাবার জন্য।
তবে যাই হোক, আমার কিন্তু ডলার ভালই লাগে।

My Trading…………………

ফরেক্স থেকে আমি যা পেলাম তা হল প্রচুর পরিমানে জ্ঞান, ধর্য্য এবং ডিসিপ্লিন। এর একটা বিষয় যদি কারও অভাব থাকে তাহলেও সর্বদা প্রফিট করা সম্ভব নয়। আমাকে যদি বলা হয়, ফরেক্স এ পাশ মার্ক কত? তাহলে আমি বলব ৯৯ পেলে পাশ। আর নিচে পেলে ফেল।

জ্ঞান: প্রতিটি ১ ঘন্টার ক্যান্ডেল তৈরী হতে ৬০ মি: এ যতবার প্রাইজ আপডাউন করে তাতে করে সর্ব নিন্ম ১-১০টি পৃথিবীর যে কোন অর্থনৈতিক ঘটনা ঘটার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। যে ঘটনাগুলো না জেনেই ৫০%-৮০% ট্রেডার ট্রেড করে থাকে। এর ফলাফল আশাকরি আপনারা জানেন। সবচেয়ে দুখের বিষয় হল অনেকে ১বছর ট্রেড করছে কিন্তু তারপরেও এটি স্বীকার করতে চান না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, আপনি স্বীকার করেন আর নাই করেন তাতে ফরেক্স প্রাইজের কিছুই যায় আসে না। ফরেক্স তার আপন গতিতে চলমান। অনেকে আবার মনে করেন যে প্রাইজ যে দিকেই যাক না কেন তা ট্যাকনিকাল পয়েন্টগুলো মিলিয়েই চলে। আমার হিসেবে উজবুক ছাড়া কিছুই না তারা।
এখন কথা হচ্ছে- তাহলে ১ঘন্টায় যদি গড়ে ৫টি অর্থ নৈতিক ঘটনা ধরি তাহলে দিনে ২৪ ঘন্টায় ৫*২৪=১০০টি ঘটনা জানতে হবে।

আমার সহজ উত্তর হচ্ছে না।যেই সময় ট্রেড করবেন সেই সময়কার ঘটনাগুলো আপনাকে জানতে হবে। তা না করে ট্রেড করা মানে হচ্ছে জুয়া খেলা। আপনি জানেন না কি হচ্ছে কিন্তু আপনি ট্রেড দিলেন। বিষয়টাতো জুয়াই হলো। আর জুয়াতে তো সবাই জিততে পারবে না। ১জন জিতবে আর ৩ জন হারবে।

তবে আমি প্রথমে চেষ্টা করেছিলাম প্রায় সকল ঘটনা জনার জন্য কিন্তু পড়ে বুজলাম আমি পাগল হতে যাচ্ছি। তারপর, চেষ্টা করলাম হাই ইমপ্যাক্ট। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। ৩০% ট্রেডার অবশ্য এই হাই ইমপ্যাক্ট এর পেছনে এখনও ছুটছে। তবে তা অবশ্যই সঠিক পথে থাকা।

যাহোক, এই অবস্থায় একটা বিষয় মাথায় কাজ করে তা হল, কি হবে আজকের নিউজ এ। ভাল না খারাপ। কিন্তু এটা জানি না যে, ভাল বা খারাপ যাই হোক না কেন কত সংখ্যা আসলে কোন দিকে কত পিপস যাবে। এই অবস্থায় আমার ৬মাস কেটেছে। বিশ্বাস করেন অনেকে আমাকে ঐ সময় পাগল মনে করেছিল। এতে আমার ১ বছর সময়, ৫৭০ডলার আর বিভিন্ন রকম হেজিটেশন করতে গেল।

‍ডিসিপ্লিন: যা হোক, হটাৎ একদিন মাথায় কাজ করল যে, সবচেয়ে বড় যে নিউজগুলো আছে যদি শুধু সেগুলোই ট্রেড করি তাহলে কেমন হয়। লজ হলে ২৫পিপস আর লাভ হলে ৫০-২৫০পিপস। হুমম, খারাপ না। তাই শুরু করলাম এবং এখন ও তাই করছি। এর মধ্যে আবার এফওএমসি, জিডিপি ও ইন্টারেষ্ট রেট এ কি হবে তা নিজেই হিসেব করার পথে আছি এবং আমার বিশ্বাস, শুধু এই তিনটি বিষয় ই বলা সম্বব হতে পারে। তবে কখন ও পারবো কিনা তা বলতে পারছি না। তবে চেষ্টায় আছি।

চলুন আজ আপনাদের সেই বড় বড় অর্থনৈতিক নিউজগুলো দেখাই। আমি শুধু এই কয়েকটাই ট্রেড করি। মনে রাখবেন, এই নিউজগুলো দিয়েই বড় সুইং তৈরী হয়। আমি ৬০০ পিপস পর্যন্ত দেখেছি ৪ দিনে।

১) এনএফপি-১: ইউএসডি। বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি: প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার। ৬০-২৫০ পিপস।

২) এনএফপি-২: GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস।

৩) এনএফপি-৩: AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস।

৪) ইউএসডি: এফওএমসি। বাংলাদেশ সময় রাত ১২.০০ টায় বছরে ৮ বার। ৬০-৪০০ পিপস।

৫) USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:।
এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে।

৬) AUD Monetary Policy Meeting Minutes ৬০-৪০০ পিপস।

৭) GBP MPC Rate Statement ( এফওএমসি), যে কোন সময় হতে পারে। 7০-4০০ পিপস।

৮) জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।

৯) জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।

১০) আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।

১১) ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট-
প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস।
এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন।

১২) এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-১০০ পিপস।
এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে।

১৩) এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে।

১৪) USD Core Retail Sales m/m
USD Retail Sales m/m
Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস।

১৫) ইন্টারেষ্ট রেট। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে।

১৬) জিডিপি। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে।

১৭) ৬:30 USD Core Durable Goods Orders (MoM) – ৫০-১৫০ পিপস। প্রতি মাসের ২৬ তারিখ।

বহুত জ্ঞান ও ডিসিপ্লিন ওয়ালা ট্রেডিং প্লান দিলাম। এখন ধর্য্য সহকারে আপনাকে এগুলো ট্রেড করতে হবে। এর বাইরে পিপিআই ও সিপিআই ট্রেড টা আমার পছন্দ না।

বি: দ্র: সবচেয়ে খারাপ ট্রেড হচ্ছে- ইউএসডি এর প্রতি বৃহষ্পতি বার সন্ধা ৬.৩০ মি: ইনিশিয়াল জব ক্লেলেমস। এটা করবেন তো আপনার জীবন ও ক্লেইমফুল হয়ে যাবে।
ভালা থাকেন সবাই।

আজ আমার ট্রেডিং প্লান আপনাদের বলব।এটি শুধু প্রতি মাসের ১ম ও ২য় সপ্তাহের ফান্ডামেন্টাল বিষয়ে। টেকনিকাল বিষয়ে মোটামুটি আমরা সবাই একটু একটু করে জানি কিন্তু ফান্ডামেন্টল এ আমরা সবাই কমবেশি দুর্বল।

মনে রাখবেন। ফরেক্স ট্রেডারদের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সপ্তাহ হল ১ম ও ২য় সপ্তাহ।

জিবিপি- মাসের ১ম দিন।

মেনুফেকচুইরিং পিএমআই – প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস।
এটি ইংল্যান্ড এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।

ইউএসডি-মাসের ১ম দিন।

আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।

ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট-
প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস।
এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন।

এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-৬০ পিপস।
এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে।

*** ইউএসডি- এনএফপি। এটি প্রতি মাসের ১ম শৃক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০মি:। ৭০-১৫০ পিপস।
ট্রেডারদের সবচেয়ে পছন্দের নিউজ। এর কথা আশাকরি সবাই জানেন।

জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।

জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।

এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে।

এইউডি- ট্রেড ব্যালেন্স। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে আমদানি ও রপ্তানীর পার্থক্য এর মান নিদের্শ করে।

*** USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:।
এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে।

USD Unemployment Claims এটি প্রতি সপ্তাহের ৫ দিনে বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দ্বারা বেকারদের চাকুরীর জন্য ক্লেইমস এর হার বুঝায়।

*** GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস।

*** AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস।

USD Core Retail Sales m/m
USD Retail Sales m/m
Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস।

এগুলা ছাড়াও আরও অনেক নিউজ আসে, সেগুলা মাঝে মাঝে বড় ক্যা্েডল তৈরি করবে, কিন্তু বেশিরভাগই স্পাইক করার উস্তাত। একবার ভাবুন, আমাদের সেই সব নিউজএর আগে ট্রেড করতে হবে যেগুলোতে সর্বনিন্ম ৪০ পিপ প্রফিট হয় আর বেশি হলে ১০০-২০০-৩০০ যাই হোক না কেন। কারন একটা ট্রেড দেওয়া মানে ২০পিপ রিক্স নিয়ে ট্রেড করা। তাহলে ২০ পিপ প্রফিটের জন্য ২০ পিপ রিক্স নেওয়া আমি মনে করি গাধামি করা।

সুইং ট্রেডিং:
জিবিপি/ইউএসডি তে কয়েকটি সুয়িং ট্রেড প্রতি মাসে পেতে পারেন, তবে সুইং ট্রেড বা ইনট্রাডে ট্রেড পাওয়ার কোন গ্যারান্টি নাই। তবে সুবিধা যেমন আছে আবার অসুবিধাও আছে।

দুটি বা তিন-চারটি বড় বড় অর্থনৈতিক নিউজ মিলে একটি সুইং ট্রেড তৈরি হয়। কিন্তু আপনাকে কন্ডিশনগুলো জানতে হবে।

যেমন ধরেন- প্রতি মাসের ১ ম দিন দুপর ২.৩০মি: এ জিবিপির মেনুফেকচুইরিং পিএমআই নিউজ এ খারপ করল তার মানে মার্কেট ডাউন হল – ৭০-৯০ পিপস। এর পর ৩ টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত রিট্রেসমেন্ট করবে। আবার ঐ দিন ইউএসডির ৬.৩০ মি: এ আইএসএম ম্যানুফেচুইরিং পিএমআই নিউজটি থাকবে। এখন যদি এটাও আবার ভাল হয় তো বুজতে পারছেন কি আপনি একটা বড় দান মারতে যাচ্ছেন। মানে মার্কেট ডাউন আর ডাউন।

আবার, পরের দিন যদি কপাল ভাল থাকে তো- আবার
জিবিপির দুপর ২.৩০ টায় কন্সট্রাকশন পিএমআই আর সন্ধায়- ইউএসডির এডিপি নন ফার্ম ইমপ্লয়মেন্ট চেঞ্জ। ????

আমি আবার বলছি যে মার্কেট শুধু যে আমার এই স্বপ্নের মত হবে কোন গ্যারান্টি নাই তবে আমি এই মাসে ২ টা পেয়েছি।

৩য় দিন একই ভাবে আবার জিবিপির দুপুর ২.৩০ মি: সার্ভিস পিএমআই আর সন্ধা ৬.৩০ এ আএসএম নন মেনুফেকচুইরিং পিএমআই।

আবার এর মধ্যেই পাবেন এনএফপি , কারন বেশিরভাগ সময় এই ১ম তিন দিনে শুক্রবার টা যদি পরে যায়।

তাছড়াও মাঝে মঝে আপনি লক্ষ করবেন যে, দুপুরে একটা জিবিপির ভাল নিউজ আর সন্ধায় ইউএসডি নিউজ, হতে পারে একটা ভাল সুইং ট্রেড।

ফরেক্স ট্রেডিং-
পৃথিবীর সকল বিসনেজ এর থেকে সবচেয়ে বেশি লাভজনক বিজনেস।
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বিজনেস এর মধ্যে অন্যতম।
পৃখিবীর সবচেয়ে রিস্কি বিসনেজ।

তাই যারা ফরেক্স ট্রেডিং করতে চান- তাদের কে মেন্টালি তৈরী থাকতে হবে যে-
আমি ফরেক্স শেখার জন্য প্রচুর কষ্ট এবং প্রচুর পরিমানে পড়াশুনা করবো।
নিজের মনের আবেগ বা তার কথা না শুনে – মার্কেট কি বলে তাকে গ্রহন করতে হবে।
এবং ফরেক্স ট্রেডিং এর নিয়ম গুলো ১০০ ভাগ মেনে চলব।

বাংলাদেশি ভাইদের জন্য আমার একটি কথাই থাকবে, তা হল-
প্রথম ১ বছর ইনভেষ্ট না করে আগে পড়াশুনা করে শিখুন এবং প্রাকটিসের জন্য ডেমো ট্রেড করুন, আর একটি প্লানিং এর মাধ্যমে ২০০০ পয়েন্ট জিতে ব্যা্লেন্সকে দিগুন করার পড় মাত্র ১০০ ডলার ইনভেষ্ট করুন এবং আপনার আগের প্লানিংর এর মাধ্যমে আবার আপনার ব্যলেন্সকে দিগুন করুন। তারপড় আপনার প্লানিংকে ডেপলপ করে দ্রুত কিভাবে বেশি ইনকাম করা যায় তা প্লানিং করে ট্রেড করে রেগুলার প্রফিট করুন। এতে হয়ত ১-২ বছর লাগতে পারে।

ইউরো /ইউএসডি পেয়ারের মধ্যে যে গোপন প্রেম আছে……………….

ধরুন- আপনি টেকনিক্যাল হিসাব করে ইউরো/ইউএসডি তে একটা বাই দিলেন। ওকে, প্রাইজ ও আপনার দিকে ১০পিপস গেল। আপনি ভাবছেন এখন তো ইউরো বা ইউএসডি এর কোন নিউজ নাই।ভালো তো ভালো না। হয়ত এখন টেকনিকাল ভাবেই টিপি হিট করবে।
কিন্তু দুখের বিষয়- প্রাইজ আপনার বিপরীতে ২০ পিপস গেল এবং সেখানেই ঘুরাঘুরি করতে থাকল। কি আর করা- লজ, লজ, লজ।

একটু চিন্তা করেন তো- উদাহরন সরুপ-

ইউরো বা ইউএসডি সাথে অন্য কারেন্সি বা ইয়েন এর পেয়ার ও তো আছে। সে সময় যদি জাপানিজ ইয়েন এর কোন নিউজ ইফেক্ট এর কারনে ইয়েন অনেক দুর্বল হলে – স্বাভাবিকভাবে যদি সাপ্লাই ও ডিমান্ড ইউএসডির দিকে যায় তাহলে ইউএসডি/ইয়েন – এ প্রাইজ আপ হলে তো ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ও তো ডাউন হবে।

আবার, ইউএসডি এর গোপন প্রেম তো আরও আছে। সেগুলো হল সোনা আর তেল। তাইতো মাঝে মাঝে নিউজ ভাল হলেও প্রাইজ বিপরীত দিকে যায়।

একটা অনুরোধ করব সবাইকে-
প্লিজ- কারও সিগনাল ও ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে ট্রেড করবেন না। শিখেন ও কিভাবে প্রফিট করা যায় তার একটি প্লান নিজে তৈরি করুন তবে ডেমো দিয়ে। যখন আপনার প্লানিং মোতাবেক প্রতিদিন প্রফিট হবে তখন রিয়েল ট্রেড করেন।

জানি, আমার কথা বাঙ্গালী একটু কমই শুনবে। কারন কি জানেন- আমিও তো বাঙ্গালী। আমি জানি বাঙ্গালী কি জিনিস? ফ্রি ছাড়া কষ্ট করতে চাই না। আর পড়াশুনা- সেইটা একটু গোপন থাক।

Fundamental Analysis কি?

Fundamental Analysis হল কিভাবে সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ঘটনা ও সংবাদ বাজারকে প্রভাবিত করে। মৌলিক বিশ্লেষণ এর ক্ষেত্রে সব রকম ঘটনা, খবর, সামাজিক আন্দোলন, অর্থনৈতিক ঘোষণা, সরকারী নীতির পরিবর্তন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাভক্ষতিও হিসেবের মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে দেশের ব্যাংকগুলোতে সুদের হার এবং তা সম্পর্কিত নীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক ধারনা এই যে, যদি কোন দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী হয় তবে তাদের মুদ্রার মূল্যও তেজী হবে। একটি শক্তিশালী অর্থনীতি সে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটায়। এর জন্য বৈদেশিক ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সে দেশের মুদ্রা কিনতেই হয় বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য। ফলে এখন মুদ্রার চাহিদা-যোগানের কথা চলে আসলো। যে দেশের অর্থনীতি মজবুত ও বর্ধনশীল, সে দেশের মুদ্রার প্রচুর চাহিদা তৈরি হয় যা তার যোগানের উপর চাপ ফেলে এবং তার দাম বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হতে শুরু করে তবে অন্যান্য দেশের মুদ্রার তুলনায় তাদের মুদ্রার দর বৃদ্ধি পাবে। অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সাথে মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধির একটা বড় কারণ হল যে দেশের সরকার অর্থনৈতিক অবস্থা ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুদের হার বৃদ্ধি করে। অধিক সুদের হার বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং তারা এর ফলে বেশী বেশী অস্ট্রেলিয়ান ডলার কিনবে বিনিয়োগের জন্য। এতে এই মুদ্রার চাহিদা ও মূল্য বারতে থাকেবে এবং যোগান হ্রাস পাবে।

যতদিন না পর্যন্ত আমি আমার প্রতিটি ট্রেড জেনেশুনে জিততে পারব না, ততদিন পর্যন্ত আমি নিরাপদ নই ফরেক্স মার্কেটে। তাতে আমি যতই পিপস লাভ করি না কেন আমি কখনো শান্তি পাব না। কারন মন আমাকে বলে যে তুমি যেহেতু না জেনে জিতেছ তার মানে তুমি সামনে অবশ্যই হারবে।

1 COMMENT

Please Leave a Reply