ফরেক্স স্ক্যাল্পিং গাইড

জিবরান : এক জন স্কাল্পারের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হচ্ছে, সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল খুঁজে বের করার পদ্ধতি ভালভাবে রপ্ত করা। স্ক্যাল্পিং ট্রেডিংয়ে রেঞ্জকে একটি ঘরের সাথে তুলনা করলে সাপোর্ট হচ্ছে এর মেঝে, আর রেসিসট্যান্স হচ্ছে এর ছাদ। এই লেভেলগুলো প্রাইসের এরিয়া হিসেবে কাজ করে যা কিনা আমারা কোন স্কাল্পিং স্ট্রেটেজি কাজে লাগাব তা বুঝতে সহায়তা করে। ধারাবাহিক স্ক্যাল্পিং গাইডের ৪র্থ পর্বের আলোচ্য বিষয় সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স।

সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স নির্ণয়ে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিতঃ

  • সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল হচ্ছে স্কাল্পারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া
  • প্রাইস একশান, পিভট পয়েন্ট, মুভিং এভ্যারেজ ইত্যাদি ব্যাবহার করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা যায়
  • সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল খুঁজে পাবার পর, স্ট্রেটেজি অনুযায়ী ট্রেড এন্ট্রি নেয়া সহজ হয়ে যায়

সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার অনেক উপায় রয়েছে। এখানে বহুল ব্যবহৃত তিনটি পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ

প্রাইস অ্যাকশানঃ 

সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার সবচেয়ে সাধারন উপায় হল প্রাইস অ্যাকশান। সুইং হাই ও সুইং লো বের করা খুবই সহজ। সুইং হাই হল একটি চার্টে প্রাইসের সর্বোচ্চ অবস্থানগুলো, এবং সুইং লো হল চার্টে প্রাইসের সর্বনিম্ন অবস্থানগুলো। এই সুইং হাই-গুলো ও সুইং লো-গুলো যোগ করে আমরা রেসিসট্যান্স এবং সাপোর্ট পেতে পারি। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে চার্ট দেখে আমরা সহজেই নির্ণয় করতে পারি মার্কেটে এখন সুইং ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে নাকি ব্রেকআউট ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স নির্ণয়ে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিতঃ

  • সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল হচ্ছে স্কাল্পারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া
  • প্রাইস একশান, পিভট পয়েন্ট, মুভিং এভ্যারেজ ইত্যাদি ব্যাবহার করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা যায়
  • সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল খুঁজে পাবার পর, স্ট্রেটেজি অনুযায়ী ট্রেড এন্ট্রি নেয়া সহজ হয়ে যায়

সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার অনেক উপায় রয়েছে। এখানে বহুল ব্যবহৃত তিনটি পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ

প্রাইস অ্যাকশানঃ 

সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার সবচেয়ে সাধারন উপায় হল প্রাইস অ্যাকশান। সুইং হাই ও সুইং লো বের করা খুবই সহজ। সুইং হাই হল একটি চার্টে প্রাইসের সর্বোচ্চ অবস্থানগুলো, এবং সুইং লো হল চার্টে প্রাইসের সর্বনিম্ন অবস্থানগুলো। এই সুইং হাই-গুলো ও সুইং লো-গুলো যোগ করে আমরা রেসিসট্যান্স এবং সাপোর্ট পেতে পারি। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে চার্ট দেখে আমরা সহজেই নির্ণয় করতে পারি মার্কেটে এখন সুইং ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে নাকি ব্রেকআউট ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

চার্ট প্যাটার্ন

উপরে একটি ইউরো/ডলারের ৫ মিনিটের চার্ট দেখান হয়েছে। ওপরের সুইং হাই এবং লো গুলো যোগ করে একটি প্রাইস চ্যানেল পাওয়া গেছে। সুইং হাই-গুলো যোগ করে একটি রেসিসট্যান্স লাইন আঁকা হয়েছে, যেখানে ট্রেডাররা বাই ট্রেড থেকে বের হবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং সেল ট্রেড দেয়ার সুযোগ খুঁজতে পারে। এবং নিচের সুইং লো-গুলো যোগ করে সাপোর্ট লাইন আঁকা হয়েছে, যেখানে ট্রেডাররা সেল ট্রেড থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং নতুন করে বাই স্ক্যাল্পিং ট্রেড নেয়ার সুযোগ খুঁজতে পারে। এতে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে মার্কেট একটি রেঞ্জের মাঝে আছে, তাই একজন ট্রেডার সহজেই তার ট্রেড ওপেন ও ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
সাপোর্ট থেকে প্রাইস বাউন্স করলে তা বাই সিগনাল আর রেসিস্টেন্স থেকে বাউন্স করলে তা সেল সিগনাল হিসেবে ধরা যায়।

পিভট পয়েন্টঃ

পিভট পয়েন্টও ভালো সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সের হিসেবে কাজ করে। কিছু ফর্মুলা অনুসরণ করে পিভট পয়েন্ট আঁকা হয় চার্টে। বিভিন্ন ধরণের পিভট পয়েন্ট রয়েছে এবং তাদের ফর্মুলাও ভিন্ন ভিন্ন। যেকোনো চার্টে খুব সহজেই পিভট পয়েন্ট নির্ণয় করা যায়।

পিভট পয়েন্ট

উপরের চার্টে Camarilla পিভট পয়েন্ট ব্যবহার দেখান হয়েছে। একখানে “R” ও “S” দিয়ে যথাক্রমে রেসিস্টেন্স ও সাপোর্ট লাইন বুঝান হয়েছে। R1, R2, R3, R4 দিয়ে রেসিসট্যান্স ১, রেসিসট্যান্স ২, রেসিসট্যান্স ৩, রেসিসট্যান্স ৪ বোঝান হয়েছে। অপরদিকে S1, S2, S3, S4 দিয়ে সাপোর্ট ১, সাপোর্ট ২, সাপোর্ট ৩, সাপোর্ট ৪ বোঝানো হয়। অর্থাৎ, একটি সাপোর্ট বা রেসিসট্যান্স ব্রেক হলে পরবর্তীটি নতুন সাপোর্ট বা রেসিসট্যান্স হিসেবে কাজ করবে।

ওপরের ইউরো/জিবিপি চার্টে পিভট পয়েন্ট এপ্লাই করা হয়েছে। এই খানে বুঝাঁ যাচ্ছে যে প্রাইস সাপোর্ট S3 কে স্পর্শ করে বাউন্সব্যাক করেছে, তাই ট্রেডার এইখানে একটি বাই ট্রেডের সুযোগ নিতে পারে, কারন প্রাইস আবার বাউন্সব্যাক করে বাড়ার সুযোগ রয়েছে। প্রাইস যদি সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স ব্রেক করে তবে বুঝে নিতে হবে যে ব্রেক আউট হয়েছে। আসলেই ব্রেকআউট হয়েছে কিনা সেটা বোঝার কিছু নিয়ম রয়েছে। সঞ্জয় ভাই ব্রেকআউট নাকি ফেকআউট XM এর ওয়েবিনারে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। পিভট পয়েন্ট নিয়েও আলাদা স্ট্রেটেজি আছে, তবে আজ ওগুলো আর আলোচনা করা হল না।

মুভিং এভারেজঃ

মুভিং এভারেজ ব্যবহার করেননি এমন ফরেক্স ট্রেডার খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু খুব কম ট্রেডারই জানে যে মুভিং এভারেজ সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স হিসেবেও কাজ করে। বেশিরভাগ ট্রেডার বড় টাইমফ্রেমে মুভিং এভারেজ কিন্তু ছোট টাইমফ্রেমেও বিশেষ করে ৩০ মিনিট এবং ৫ মিনিটের চার্টে মুভিং এভারেজ বেশ কার্যকর। প্রাইস যদি মুভিং এভারেজের ওপরে থাকে তবে ট্রেডার তা সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে এবং ট্রেডাররা মার্কেট বুঝে বাইয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ও প্রাইস যদি মুভিং এভারেজের লাইনের নিচে ব্রেক করে নিচে নামে তবে তা নতুন রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করে। তখন সেলের সুযোগ খুঁজতে পারে। বেশিরভাগ ট্রেডার এক্ষেত্রে ২০০ পিরিয়ড মুভিং এভারেজ বেশি পছন্দ করে।

মুভিং এভারেজ

উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান-ডলার/আমেরিকান-ডলারের ৫ মিনিটের চার্টে ২০০ মুভিং এভারেজ ব্যবহার করা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রাইস ২০০ মুভিং এভারেজের লাইনের ওপরে ছিল ততক্ষন লাইনটি সাপোর্ট হিসেবে কাজ করেছে । আর প্রাইস যখনই ২০০ মুভিং এভারেজ লাইন ক্রস করে নিচে নামলো তখন লাইনটি নতুন রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করছে।

[ধারাবাহিক স্ক্যাল্পিং গাইড – ১ম পর্ব]
[ধারাবাহিক স্ক্যাল্পিং গাইড – ২য় পর্ব]
[ধারাবাহিক স্ক্যাল্পিং গাইড – ৩য় পর্ব]
[আরও পড়ুনঃ জিরো জিরো স্ক্যাল্পিং স্ট্রাটেজি]

নিয়মিত ফরেক্স টিপস, ট্রিকস এন্ড ইনফরমেশনের জন্য আমাদের লাইক করুন

 

1 COMMENT

Please Leave a Reply