Must Read

ফরেক্স ট্রেড করতে চান? দক্ষ ট্রেডার হতে ফরেক্স বিষয়ে অবশ্যই এই অংশটি পড়ুন

ফরেক্স থেকে নিয়মিত আয় করতে হলে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে ভাল ধারণা এবং দক্ষতা থাকতে হবে। ফরেক্সে আপনি যদি দক্ষ না হন তবে আপনি ফরেক্স থেকে নিয়মিত আয় করতে পারবেন না। ফরেক্স মাকেটে যে যত বেশি দক্ষ সে তত বেশি আয় করতে পারে বা আয় করে থাকে।
দক্ষতাবিহীন কখন আপনি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যান তার কোন সিকিউরিটি নেই, তাই একটু কষ্ট করে দক্ষতা অর্জন করে নিয়মিত লাভ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয় কি?

উত্তর যদি হ্যাঁ হয় আপনাকে ধন্যবাদ আর দক্ষ ট্রেডার হতে ফরেক্স বিষয়ে অবশ্যই এই অংশটি মনোযোগসহকারে বারংবার পড়ুন কারণ এই বিষয় গুলো ক্রমান্বয়ে আপনাকে দক্ষ ট্রেডারে পরিণত করবে। মনে রাখবেন, ভাল প্রফিট করতে গেলে ফরেক্সে দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। বুঝার সুবিধার্থে আমার এই অংশটিকে ৫টি ভাগে ভাগ করেছি এবং প্রত্যেকটি বিষয়ে একাধিক উপবিভাগ রয়েছে।আপনি বাম ক্লিক বা ডান ক্লিকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ পড়তে পারেন। N.B.যে বিষয়টি ক্লিকেবল নয় ,সেটি আমরা এখনো রেডি করতে পারিনি ,তাই পরে চেক করতে অনুরোধ করছি।

                   প্রাইমারী লেসন (মার্কেট পরিচিতি)

01. ফরেক্স কি? ফরেক্স এর সুচনা কিভাবে হয়?

ফরেক্স কিঃ

Forex হল Foreign Exchange এর সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি একটি আন্তর্জাতিক বিকেনদ্রিক মুদ্রা বাজার। এই মার্কেটে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় এর মাধ্যমে আয় করা যায়। অর্থাৎ আপনি একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে আরেকটি দেশের মুদ্রা ক্রয় বা বিক্রয় এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। আপনি যখন একটি দেশের মুদ্রা দিয়ে আরেকটি দেশের মুদ্রা ক্রয় করবেন সেই দেশের মুদ্রার দাম আপনার ক্রয়কৃত দামের ঊর্ধ্বগতিক পার্থক্যই হচ্ছে আপনার লাভ।
এই বাজারটি এত বড় যা নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ মার্কেটের চেয়ে কয়েক গুন বেশি ভলিয়াম এ দেনিক ট্রেড হয়। যার দৈনিক টার্ন-অভার এর পরিমান প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইউ.এস ডলার এরও বেশি। বর্তমানে বিশ্বের ১৫-২০ ভাগ মানুষ ফরেক্সকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন কেউ পার্টটাইম কেউবা ফুলটাইম পেশা হিসেবে।

মূলত ফরেক্সও একধরনের আউটসোরসিং বিজনেস। যেখানে প্রফিট করতে হয় একটি ভালো সুশিক্ষার মাধ্যমে। না জেনে না বুঝে এই মার্কেটে নেমে পড়া মানে হচ্ছে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা। প্রপার এডুকেশন ছাড়া আপনি এই মার্কেটে নিতান্তই একজন দর্শক। তাই ট্রেডার যদি হতে চান তাহলে আগে ভালোভাবে শিখে নিন তারপর শুরু করুন। ভয় কিংবা নেগেটিভ করছি না, কারন অল্প শিখে নেমে পড়ে যখন কোন কিছু বোঝার আগেই সব হারাবেন তখন হয়ত আপসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না। 

ফরেক্স এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

১৮৭৬ সালে স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা( gold exchange standard) চালু করা হয়েছিল।এই ব্যবস্থায় মুদ্রার মূল্যমান স্বর্ণের মানের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। ফলে মোট স্বর্ণের মূল্যর সমপরিমাণ কাগুজে মুদ্রা কোন দেশের জন্য রাখা হত। এই পদ্ধতি বেশ ভালই ছিল। কিন্তু স্বর্ণ এর আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে এই পদ্ধতির ত্রুটি ধরা পরে এবং একে বিদায় নিতে হয়।
এই স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা বাতিল করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সময় যখন ইউরোপীয় দেশগুলোতে তাদের বিশাল সব প্রকল্পগুলোকে বাস্তবায়িত করার মতো টাকা ছিলোনা। কারণ তাদের স্বর্ণের মজুদ ঐ পরিমাণ টাকা ছাপার জন্য খুবই অপ্রতুল ছিল। যদিও এই স্বর্ণ ব্যবস্থা বাতিল হয়ে গেছে, তবুও স্বর্ণ তার মূল্য এবং মুদ্রামানে নিজের অবস্থান ভালভাবেই ধরে রেখেছে।
পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হয় যে, সকল মুদ্রার মান নির্দিষ্ট হবে এবং আমেরিকান ডলার হবে মুদ্রার জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ভিত্তি যা স্বর্ণ এর বিপরীতে একমাত্র পরিমাপকৃত মুদ্রা। এই ব্যবস্থাকে বলা হয় ব্রেটন উডস ব্যবস্থা ( Bretton Woods System) যা ১৯৪৪ সালে কার্যকর হয়। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে তারা আর স্বর্ণের বিপরীতে ডলার এর বিনিময় এ আগ্রহী নয় যা বৈদেশিক সংরক্ষণ হিসেবে রাখা আছে। এর ফলে ব্রেটন উডস ব্যবস্থাও বাতিল হয়ে যায়।
১৯৭৬ সালে এই ব্যবস্থা অকার্যকর হয় যার মাধ্যমে মূলত সর্বসম্মতভাবে পরিবর্তনশীল মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন হয়েছিল। এর মাধ্যমেই আধুনিক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের প্রবর্তন হয় যা ১৯৯০ সালের দিকে বর্তমান যান্ত্রিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার রূপ নেয়।

02 – কি ট্রেড করা হয়?

সহজ উত্তর কারেন্সি। কারণ আমরা বাস্তবে কিছু কিনছি না। তাই এই ধরনের ট্রেডিং কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে।
আমরা যখন একটি কারেন্সি কিনি তখন আমরা একটি দেশের কিছু শেয়ার কিনছি , একটি প্রতিস্থানের শেয়ার কেনার মত। কারেন্সির দাম হল ওই দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি।
যখন আমরা জাপানিজ ইয়েন কিনি (buy), আমরা মুলত জাপানি অর্থনীতিতে একটি শেয়ার কিনি। আমরা মনে করি জাপানি অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও আরও উন্নতি হবে। যখন আমরা ওই শেয়ারগুলো বিক্রি (sell) করে দেব, আশা করি আমরা লাভ করব।
সাধারণে, একটি কারেন্সির সাথে অন্য কারেন্সির আদান প্রদান হার সেই দেশটির অর্থব্যবস্থার তুলনায় অন্য দেশের অর্থব্যবস্থার প্রতিফলন।

Major Currencies

Money
কারেন্সি চিহ্নের তিনটি অক্ষর থাকে, যেখানে প্রথম দুইটি দেশের নাম নির্দেশ করে এবং তৃতীয়টি সেই দেশটির কারেন্সির নাম নির্দেশ করে।
যেমন NZD এর ক্ষেত্রে, NZ দিয়ে New Zealand বোঝানো হয়েছে, এবং D দিয়ে Dollar বোঝানো হয়েছে। সহজ, তাইনা?
উপরের কারেন্সিগুলো প্রধান কারন সেগুলোই সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা হয়।
Buck হল USD’র ডাক নাম।
USD-কে greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents, coco and cash money নামেও ডাকা হয়।

03 – ফরেক্স মার্কেট বেসিক

major-currency-pairs-forex.jpg
ফরেক্স মার্কেট বেসিক হল কারেন্সি পেয়ার।

শেয়ার মার্কেটের নিয়ম হচ্ছে যেকোনো শেয়ারের মূল্য সে দেশের মুদ্রার বিপরীতে নির্ধারিত হবে। যেমন, আমাদের দেশের শেয়ার মার্কেটে কোনো শেয়ারের মূল্য টাকায় নির্ধারিত হয়।

কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে এভাবে কোন দেশের মূদ্রা বা কারেন্সির মান নির্ধারণ অসম্ভব। শুধু ইউরো বা ডলারের কোন মূল্য থাকতে পারে না। যেমনঃ ১ ডলার দিয়ে ৭৩ বাংলাদেশী টাকা পাওয়া যায়। এবার ১ ডলার দিয়ে মাত্র ০.৭০ ইউরো অথবা ০.৯৩ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পাওয়া সম্ভব। আবার যদি জাপানিজ ইয়েনের কথা ধরি, তাহলে ১ ডলার দিয়ে আপনি ৮০ ইয়েন পাবেন। তাহলে, ডলারর মূল্য আসলে কোনটি? বিভিন্ন দেশের মানুষই তো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করে, কোন দামে তারা ডলার কিনবে?

এই জন্যই ফরেক্স মার্কেটে সবকিছু কারেন্সি পেয়ারের মাধ্যমে ট্রেড হয়।
যেমন ধরুন, EUR/USD (ইউরো/উএসডি), একটি কারেন্সি পেয়ার। বর্তমানে 1 EUR/USD = 1.4434 . এর মানে হচ্ছে ১ ইউরো দিয়ে আপনি ১.৪৪৩৪ ডলার পাবেন। তাহলে, 1 USD/EUR নির্দেশ করবে ১ ডলার দিয়ে আপনি কত ইউরো পাবেন? উত্তর হবে, ঠিক উল্টো, 1/1.4434 বা ০.6928 অর্থাৎ ১ ডলার দিয়ে আপনি ০.6928 ইউরো পাবেন।
ফরেক্স এ আপনি যেসব শেয়ার ক্রয় করছেন তা মুদ্রায় পূর্ণ নামে ডাকা হয় না, প্রত্যেকটি কারন্সিকে তিনটি রেফারেন্স কোড (ISO Code) এর মাধ্যমে ডাকা হয়। এইক্ষেত্রে প্রথম দু’টি কোড হল ঐ দেশের নামের সংক্ষিপ্ত রুপ এবং ৩য় কোডটি হল ঐ দেশের মুদ্রার/কারেন্সির প্রথম অক্ষর। যেমনঃ
United (U)
States (S) Dollar (D) = USD.
Great (G) Britain (B) Pound (P)= GBP
ফরেক্স মার্কেটে প্রত্যেকটি কারন্সি এককভাবে না থেকে জোড়ায় জোড়ায় থাকে তার কারন একটির বিপরীতে আরেকটি এক্সচেঞ্জ করার জন্য। জোড়ার প্রথম কারেন্সিকে Base কারেন্সি এবং দ্বিতীয় কারেন্সিকে Quote/Counter/Ref/Term কারেন্সি বলা হয়। কারেন্সির ধরন এর উপর ভিত্তি করে এগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হয়েছে। মেজর কারেন্সি ও ক্রস-কারেন্সি।

04-চার্টের ধরন

চার্টের ধরন
আমাদের টার্মিনালে সাধারনত ৩ ধরনে চার্ট থাকে। সেগুলো হল:

  • লাইন চার্ট
  • বার চার্ট
  • ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট

বি:দ্য: পিরিয়ড মানে এখানে নির্দিষ্ট একটি সময়কে বোঝানো হয়েছে। নিম্নের উদাহরনগুলোতে ১ ঘন্টার চার্ট ব্যাবহার করা হয়েছে।
লাইন চার্ট
খুবই সাধারন একটা চার্ট। আপনি চার্টে শুধু একটা লাইন দেখতে পারবেন। লাইনটা প্রতিটা পিরিয়োডের ক্লোজ প্রাইস দেখায়। একটা পিরিয়োডের ক্লোজ আরেকটা পিরিয়োডের ক্লোজের সাথে সংযুক্ত হওয়ায় এটাকে লাইন আকারে দেখা যায়। নিম্নে লাইন একটি লাইন চার্ট দেয়া হল।

line chartবার চার্ট
বার চার্ট একটু জটিল কিন্তু বেশি তথ্যবহুল। বার চার্টে আপনি দেখতে পাবেন কোন পিরিয়ডের

Bar chartওপেনিং প্রাইস = কোন প্রাইসে বার শুরু হয়েছে। হাই = প্রাইস কতটুকু উপরে উঠেছে। লো = প্রাইস কতটুকু নিচে নেমেছে। ক্লোজিং প্রাইস = কোন প্রাইসে বার ক্লোজ হয়েছে।

প্রতিটা বারে কি দেখতে পাচ্ছেন? বারগুলোর উপরের অংশ হাই এবং নিচের অংশ লো দেখাচ্ছে প্রতিটা পেরিয়ডের। প্রতিটা বারে আবার ২টা দাগও দেখাচ্ছে। বাম দিকে যে দাগ দেখছেন সেটা হল ওপেনিং প্রাইস আর ডান দিকে যে দাগটা দেখছেন সেটা ক্লোজিং প্রাইস।
ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট
বার চার্টের মত ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট ও একই তথ্য প্রদান করে থাকে। কিন্তু এটা ট্রেডারদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়। ক্যান্ডেলস্টিক চার্টে ওপেন, হাই, লোও ক্লোজ দেখায় এবং তার মধ্যে একটা ব্লক দেখায় যেটাকে বডি বলা হয়। নিম্নে আমরা ২ ধরনের ক্যান্ডেল দেখতে পাচ্ছি। বুল ও বিয়ার ক্যান্ডেল।

বুল ও বিয়ার ক্যান্ডেল।

এখন চার্টে দেখি কিভাবে এগুলো থাকে:

Candlestick Chartআগে বলেছিলাম যে ক্যান্ডেলস্টিক ট্রেডারদের মধ্যে জনপ্রিয়। এর কিছু কারন হল:

  • ক্যান্ডেলস্টিক ব্যাখ্যা করা সহজ।
  • আপনার চোখ সহজেই ক্যান্ডেলস্টিকের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে।
  • অনেক ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন আছে যা আপনাকে মার্কেটের পরবর্তী মুভ সম্পর্কে ধারনা দেয়।
  • মার্কেট কখন ঘুড়বে তার সম্পর্কে ধারনা দেয়।

05 – পিপস এবং পিপেটিস

পিপস এবং পিপেটিসপিপস এবং পিপেটিসঃ


ফরেক্স মার্কেটে কোন কারেন্সি পেয়ারের দশমিকের পরে ৪থ সংখ্যার প্রতি এক একক পরিবর্তন বা মুভমেন্টকে PIP বা পিপ বলে। PIPS অথবা পিপস হচ্ছে PIP এর বহুবচন, যেমনঃ Market has changed 120 pips today. অর্থাৎ, মার্কেট আজকে ১২০ পিপস পরিবর্তিত হয়েছে। অনেকে পিপস কে পয়েন্ট ও বলে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে pips ই বহুল প্রচলিত।
পিপস কি , তা বুঝতেই অধিকাংশ মানুষ প্রচুর সময় ব্যয় করে ফেলে। দেখা যাক, আমরা কিছু উদহারনের সাহায্যে সহজ করে শিখতে পারি কিনা।

উদহারন ১:

আপনি আপনার টার্মিনাল (আপনার ব্রোকার প্রদত্ত ট্রেড করার সফটওয়ার) টি ওপেন করলেন। দেখলেন, EUR/USD ছিল ১.৪৩৪০ এবং বর্তমানে তা ১.৪৩৪৫ ।
কয় পিপস পরিবর্তন হল?
বের করার নিয়মঃ বেশি-কম = ১.৪৩৪৫ – ১.৪৩৪০ = ০.০০০৫
আমি আগেই বলেছি পিপস গণনা শুরু হয়, দশমিকের পর চার নাম্বার সংখ্যা থেকে। ভুলে যান দশমিক, আসুন সহজ করে হিসাব করিঃ
৪৩৪৫-৪৩৮০ = ৫

অর্থাৎ, মার্কেট ৫ পিপস পরিবর্তিত হয়েছে।

উদহারন ২:
GBB/USD ১.৫৬৩০ থেকে ১.৫৬৩৯ তে গেল। মার্কেট কত পিপস মুভ করল?
৫৬৩৯-৫৬৩০ = ৯ পিপস।
আরও কিছুঃ
মার্কেট মুভমেন্ট (EUR/USD)
আগে ছিল ১.৩৪৫০ , বর্তমানে ১.৩৪৩২ = ৩৪৫০ – ৩৪৩২ = ১৮ পিপস মার্কেট মুভমেন্ট
আগে ছিল ১.৩৪৫০ , বর্তমানে ১.৩৫৫০ = ৩৫৫০ – ৩৪৫০ = ১০০ পিপস মার্কেট মুভমেন্ট
আগে ছিল ১.৩৭৫০ , বর্তমানে ১.৩৪৩২ = ৩৭৫০ – ৩৪৩২ = ৩১৮ পিপস মার্কেট মুভমেন্ট
আগে ছিল ১.৪৪৫০ , বর্তমানে ১.৩৪৫০ = ৪৪৫০ – ৩৪৫০ = ১০০০ পিপস মার্কেট মুভমেন্ট
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। নিজেকে টেস্ট করে নিনঃ
ধাঁধা ২:
EUR/USD আগে ছিল ১.৩৫৭০ , বর্তমানে ১.৩৫৫০।
মার্কেট কত পিপস মুভ করল?
যদি পারেন তাহলে বুঝবেন আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।
পিপস সম্পর্কে স্বছ ধারণা থাকা প্রয়োজন, কেননা ফরেক্স মার্কেটের মুভমেন্ট পিপস এর সাহায্যে গণনা করা হয়। প্রায়শই শুনবেন ইউরো/উ.এস.ডি আজকে ২০০ পিপস বেড়েছে। মার্কেট খুব মুভ করছে, ৫ মিনিটেই ১০০ পিপস বেড়েছে ইত্যাদি।

Pipettes (পিপেটিস):

কিছু কিছু ব্রোকারে প্রাইস দশমিকের পরে ৫ ডিজিট থাকে। যেমনঃ ১.৪২৫৬১. এই পঞ্চম ডিজিট তাই হল পিপেটি। সুতরাং প্রাইস যদি ১.৪২৫৬১ থেকে ১.৪২৬৬৭ এ যায়, তবে বুঝতে হবে ১০ পিপস ৬ পিপেটিস বেড়েছে অথবা ১০৬ পিপেটিস পরিবর্তন হয়েছে।

06 – লট/ভলিউম

Lotvolumes.jpg

লট/ভলিউম

লট ব্যাপারটি অনেক সহজ। কিন্তু আপনি যখন ইউনিটের হিসাবে যাবেন, তখন তা আপনার কাছে জটিল মনে হবে। তাই আমরা এখানে ইউনিটের হিসাবে যাব না বরং সহজ ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করবো। ইউনিটের ক্যালকুলেশন জানতে বেবীপিপসে দেখুন।

ফরেক্স মার্কেটে আমরা প্রতি পিপস মুভমেন্টে লাভ করতে পারি। অর্থাৎ প্রাইস ১.১৭১০ থেকে ১.১৭২০ এ গেলে আমাদের ১০ পিপস লাভ বা লস হবে। লট/ভলিউমের মাধ্যমে আমরা নির্ধারণ করে দিবো যে প্রতি পিপস আমাদের অনুকূলে বা প্রতিকূলে গেলে আমাদের কি পরিমান লাভ বা লস হবে।

লট অনুসারে ফরেক্স ব্রোকারদের আমরা সুবিধার জন্য ৩ ভাগে ভাগ করছি

=>> স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকার
=>> মিনি লট ব্রোকার
=>> মাইক্রো লট ব্রোকার

স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকারে ১ লট = $১০/পিপস। কিন্তু মিনি লট ব্রোকারে ১ লট = $১/পিপস। আর মাইক্রো লট ব্রোকারে ১০ লট = $১/পিপস।

তারমানে, আপনি স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকারে যদি ১ লট দিয়ে একটি ট্রেড ওপেন করেন এবং ১০ পিপস আপনার অনুকুলে যায় তবে আপনার লাভ হচ্ছে $১০x১০=$১০০. অনুরুপ লস হলেও $১০০ হবে।
কিন্তু, আপনি মিনি লট ব্রোকারে যদি ১ লট দিয়ে একটি ট্রেড ওপেন করেন এবং ১০ পিপস আপনার অনুকুলে যায় তবে আপনার লাভ হচ্ছে $১x১০=$১০. অনুরুপ লস হলেও $১০ হবে।
আর, আপনি মাইক্রো লট ব্রোকারে যদি ১ লট দিয়ে একটি ট্রেড ওপেন করেন এবং ১০ পিপস আপনার অনুকুলে যায় তবে আপনার লাভ হচ্ছে $০.১x১০=$১. অনুরুপ লস হলেও $১ হবে।
স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকারেঃ
১ স্ট্যান্ডার্ড লট = $১০/পিপস
০.১ স্ট্যান্ডার্ড লট = $১/পিপস
০.০১ স্ট্যান্ডার্ড লট = $০.১০/পিপস
১০ স্ট্যান্ডার্ড লট = $১০০/পিপস
মিনি লট ব্রোকারেঃ
১ মিনি লট = $১/পিপস
০.১ মিনি লট = $০.১০/পিপস
০.০১ মিনি লট = $০.০১/পিপস
১০ মিনি লট = $১০/পিপস
মাইক্রো লট ব্রোকারেঃ
১ মাইক্রো লট = $০.১০/পিপস
০.১ মাইক্রো লট = $০.০১/পিপস
০.০১ মাইক্রো লট = $০.০০১/পিপস
১০ মাইক্রো লট = $১/পিপস
নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন স্ট্যান্ডার্ড লট, মিনি লট এবং মাইক্রো লটের পার্থক্য। ব্রোকাররা তাদের সুবিধা মত লট সাইজ ঠিক করে।
অধিকাংশ ব্রোকার আপনাকে সর্বনিম্ন ০.০১ লটে ট্রেড করতে দিবে। অর্থাৎ, স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকারে আপনি সর্বনিম্ন পিপ ভ্যালু নিতে পারবেন ১০ সেন্ট। কিন্তু মিনি লট ব্রোকারে আপনি সর্বনিম্ন পিপ ভ্যালু নিতে পারবেন ১ সেন্ট। আর মাইক্রো লট ব্রোকারে আপনি সর্বনিম্ন পিপ ভ্যালু নিতে পারবেন ০.১ সেন্ট। সুতরাং আপনার ক্যাপিটাল যদি কম হয়ে থাকে, তাহলে আপনি মিনি লট বা মাইক্রো লট ব্রোকারে কম রিস্ক নিয়ে ট্রেড করতে পারবেন।
শুধু যে আপনি ১ লট, ০.১ লট অথবা ০.০১ লটে ট্রেড করতে পারবেন তাই নয়, আপনি চাইলে ২.৫ লট, ১.৩ লট এরকম কাস্টম লটেও ট্রেড করতে পারেন।
কিভাবে বুঝবো আমার ব্রোকারটি মাইক্রো লট, মিনি লট না স্ট্যান্ডার্ড লট?
ট্রেডিং পয়েন্টের মাইক্রো অ্যাকাউন্টে আপনি মাইক্রো লটে ট্রেড করতে পারবেন। ইন্সটাফরেক্স, লাইটফরেক্স ইত্যাদি ব্রোকারগুলো মিনি লট ব্রোকার। এফ.বি.এস, এফ. এক্স. অপ্টিমাক্স ইত্যাদি ব্রোকারগুলো স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকার। হটফরেক্স ব্রোকার সবধরণের লট সার্পোট একাউন্ট ওপেন করার সুবিধা দিয়ে থাকে। আপনি যদি না জানেন আপনার ব্রোকারটি মাইক্রো লট, মিনি লট না ষ্ট্যাণ্ডার্ড লট, তাহলে ব্রোকারের লাইভ সাপোর্টে প্রশ্ন করুন। অনেক সময় তাদের ওয়েবসাইটেও দেয়া থাকে। অথবা তাদের সাথে একটি ডেমো অ্যাকাউন্ট খুলে ১ লট দিয়ে একটি ট্রেড ওপেন করুন। যদি দেখেন যে প্রতি পিপস পরিবর্তনে $১০ ডলার করে লাভ বা লস হচ্ছে তবে বুঝবেন এটা স্ট্যান্ডার্ড লট ব্রোকার। আর যদি দেখেন যে $১ ডলার করে পরিবর্তন হচ্ছে, তাহলে বুঝবেন এটা মিনি লট ব্রোকার। ১০ সেন্ট করে পরিবর্তন হলে বুঝবেন তা মাইক্রো লট ব্রোকার। কিন্তু কিছু কিছু ব্রোকারের একেক অ্যাকাউন্ট টাইপে একেক রকম লট সাইজ থাকে।

07 – টাইমফ্রেম

টাইমফ্রেমের মাধ্যমে আমরা কোন নির্দিষ্ট ৫ মিনিট, ১৫ মিনিট, ১ ঘন্টা, ১ সপ্তাহ বা ১ মাসে প্রাইস সর্বোচ্চ কত বেড়েছিল বা কমেছিল ইত্যাদি আমরা জানতে পারি। যদি আমরা ১টি ৫ মিনিটের ক্যানডেল দেখি, তাহলে তা থেকে আমরা বুঝতে পারবোঃ
  • কোন প্রাইসে ক্যানডেলটি শুরু হয়েছে
  • কোন প্রাইসে ক্যানডেলটি ক্লোজ হয়েছে
  • প্রাইস ঐ ৫ মিনিতে সর্বোচ্চ কত বেড়েছিল
  • প্রাইস ঐ ৫ মিনিতে সর্বনিম্ন কত কমেছিল
সাধারনত নিম্নোক্ত টাইমফ্রেমগুলো বেশী ইউজ হয় কারন এগুলো মেটাট্রেডার ৪ এ দেয়া আছে। কিন্তু মেটাট্রেডার ৫ এ আপনি আরো কাস্টম টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে পারবেন।
  • M1
  • M5
  • M15
  • M30
  • H1
  • H4
  • D1
  • W1
  • MN
আপনি কোন নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমের কোন ১টি ক্যানডেল দেখলেই বুঝতে পারবেন ঐ সময়ে প্রাইসের মুভমেন্ট কেমন হয়েছিল।
ieNY1.png
লাল দাগ দিয়ে সিলেকটেড ক্যানডেলটি দেখুন। এটা দেখে ৪ ঘন্টায় প্রাইস অ্যাকশন বোঝা যাচ্ছে।
কোন টাইমফ্রেমে ট্রেড করবো?
এটা নির্ভর করে আপনি কি ধরনের ট্রেড করতে চান। আপনি যদি স্ক্যাল্পিং পছন্দ করেন তবে আপনার উচিত M1, M5 অথবা M15 এ ট্রেড করা। আপনি যদি সাধারন কিংবা একটু লং টার্ম ট্রেড করতে চান, তবে আপনার M30, H1 অথবা H4 এ ট্রেড করা উচিত। সুইং বা পজিশন ট্রেড করতে আগ্রহী হলে আপনার সপ্তাহ অথবা মাসের টাইমফ্রেমগুলোকে অ্যানালাইসিস করা উচিত।

08 – স্প্রেড, স্টপ লস এবং টেক প্রফিট

স্প্রেডঃ

আপনি একটি ট্রেড ওপেন করলেই দেখবেন ট্রেডটি কিছুটা লসে ওপেন হবে। এটাকেই স্প্রেড বলে। ফরেক্স ব্রোকার একটি ট্রেড ওপেন করার জন্য এই ফি কমিশন বা চার্জ হিসেবে কেটে নেয়।

আপনি ধরুন ১.৭৪৪৫ এ GBPUSD বাই করলেন, কিন্তু তা ১.৭৪৪৯ এ ওপেন হবে অর্থাৎ ৩ পিপস ফি প্রযোজ্য হয়েছে। আপনি যদি $১ পিপস ভ্যালু দিয়ে ট্রেড ওপেন করে থাকেন তবে ট্রেডটি $৩ লসে ওপেন হবে।

বিভিন্ন পেয়ারের স্প্রেড বিভিন্ন হয়। আবার বিভিন্ন ব্রোকার ভেদেও স্প্রেড কম বেশি হতে পারে। যেমন Instaforex এ EURUSD এর স্প্রেড ৩ পিপস। কিন্তু Fxoptimax এ EURUSD এর স্প্রেড ২ পিপস। কিছু কিছু পেয়ার এ স্প্রেড ৩০ পিপস পর্যন্ত বা তার বেশী হতে পারে। তাই অপরিচিত পেয়ার ট্রেড করার আগে স্প্রেড কত তা দেখা নেয়া উচিত।
স্টপ লস এবং টেক প্রফিটঃ
স্টপ লস (stop loss): স্টপ লসের মাধ্যমে আপনি আপনার লসে থাকা ট্রেডটি কোন প্রাইস এ বন্ধ করে দিতে চান তা ঠিক করে দিতে পারবেন।
টেক প্রফিট (take profit): টেক প্রফিটের মাধ্যমে আপনি আপনার লাভে থাকা ট্রেডটি কোন প্রাইসে বন্ধ করে দিতে চান তা ঠিক করে দিতে পারবেন।
ধরুন, আপনি ১.৩৫৪০ তে একটি বাই ট্রেড ওপেন করলেন। আপনি চাচ্ছেন ৫০ পিপস লাভ করবেন এবং ৫০ পিপসের বেশি লস করবেন না। তাহলে আপনি ৫০ পিপস স্টপ লস এবং ৫০ পিপস টেক প্রফিট সেট করে রাখতে পারেন। আপনার কম্পিউটার বন্ধ থাকলে বা কোন স্পাইকের ফলে হঠাৎ প্রাইস বেড়ে বা কমে গেলে, স্টপ লস বা টেক প্রফিটের প্রাইসে অটোমেটিক ভাবে আপনার ট্রেড ক্লোজ হয়ে যাবে।

09 – লিভারেজ কি?

লিভারেজ বা মার্জিন লোন হচ্ছে আপনার ক্যাপিটাল এর উপর সর্বোচ্চ কত গুন লোন আপনার ফরেক্স ব্রোকার আপনাকে দিবে।

ধরুন, আপনার ব্যাল্যান্স বা ক্যাপিটাল হচ্ছে ১০০ ডলার । আপনি যদি ১;২০০ লিভারেজ ব্যাবহার করেন, তাহলে আপনি ট্রেড করার সময় আপনার ব্রোকার আপনাকে সর্বোচ্চ্য ২০০ গুন পর্যন্ত লোন দিবে। এখন এইটা আপনার ব্যাপার আপনি কত পরিমান লোন নিবেন। সুতরাং, ১০ ডলার দিয়ে ১০x২০০=২০০০ ডলার ট্রেড করতে পারবেন।

ভালোই তো …. যদি ২০০ গুন পর্যন্ত লোন পাই, তাহলে নিবো না কেন? স্টক মার্কেটে তো ১:২ লোনই দিতে চায় না।

ধরুন, আপনি ১০ ডলার ডিপোজিট করলেন, ঠিক করলেন লিভারেজ ব্যাবহার করবেন, ১:১ , মানে কোন লোন নিবেন না। সেক্ষেত্রে, ব্রোকার আপনাকে বড় সাইজের কোন ট্রেড ওপেন করতে দিবে না। ওই ১০ ডলার দিয়ে যতটুকু বড় ট্রেড ওপেন করা যায়, ঠিক ততটুকুই ট্রেড ওপেন করতে দিবে। সেক্ষেত্রে, মার্কেট আপনার অনুকুলে ৫০ পিপস মুভ করলে হয়ত আপনার ১ ডলার লাভ হবে। সাধারনত বিভিন্ন কারেন্সি পেয়ার প্রতিদিন ১০০-৩০০ পিপস মুভ করে।

তো আপনি ভাবলেন, লোন নিবেন ও আরও বড় ট্রেড ওপেন করবেন যাতে লাভ বেশি হয়। আপনাকে যদি কোন ব্রোকার ১:২০০ লিভারেজ অফার করে, তাহলে আপনি ইচ্ছা করলে ১০ ডলার দিয়ে ২০০০ ডলার ট্রেড করতে পারবেন। আর তাই, আগে যা লাভ হতো, এখন তার থেকে ২০০ গুন বেশি লাভ হবে। একইভাবে, আগে যা লস হতো, আপনি যদি ১:২০০ লিভারেজ এর পুরো ব্যাবহার করেন, লসও তার ২০০ গুন বেশি হবে। যদি আগে মার্কেট আপনার অনুকুলে ৫০ পিপস মুভ করলে ১ ডলার লাভ হতো, এখন তাহলে ২০০ ডলার লাভ হবে।

ব্রোকার লোন আপনাকে ঠিকই দিবে। লাভ হলে তো ভালোই, লস এর ক্ষেত্রে আপনার লস যদি কোন সময় আপনার ক্যাপিটাল এর সমান হয়, তাহলে সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ট্রেড ক্লোজ হয়ে যাবে। ব্রোকার কোন অবস্থাতেই আপনার যা ক্যাপিটাল আছে, তার থেকে বেশি লসে আপনার ট্রেড চলতে দিবে না। এইটাকে ফরেক্সে মার্জিন কল বলে, বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে বলে ফোর্সড সেল।

ভাই, এইটা তো ভয়ানক কথা বললেন! বেশি লিভারেজ ব্যাবহার করে ট্রেড ওপেন করতে গিয়ে আমার লস যদি ক্যাপিটাল এর সমান হয়, তাহলে কি ফতুর হয়ে যাব নাকি?

সোজা বাংলা কথায়, হ্যা! সুতরাং, লিভারেজ যাই সেট করুন না কেন, ট্রেড খোলার সময় কখনই ব্যালেন্স এর অনুপাতে বেশি বড় ট্রেড খুলবেন না। কিছু মানুষ বলে যে ফরেক্স নাকি একদিনেই ক্যাপিটাল দুই গুন, তিন গুন করা সম্ভভ। ভাগ্য থাকলে অবশই সম্ভব। কিন্তু এভাবে ঝুকি নিয়ে ট্রেড করলে ধরা একদিন না একদিন খেতেই হবে।

10 – কারেন্সি জোড়/পেয়ার

ফরেক্স ট্রেডিং হল একই সাথে একটি কারেন্সির ক্রয় এবং অন্য কারেন্সির বিক্রয়। কারেন্সি কোন ব্রোকার অথবা ডিলারের মাধ্যমে এবং Pair বা জোড়ায় ট্রেড করা হয়।
উদাহারনসরূপঃ ইউরো ও ইউ. এস. ডলার এর জোড় EUR/USD অথবা ব্রিটিশ পাউন্ড ও জাপানিজ ইয়েন এর জোড় GBP/JPY.
আপনি যখন ফরেক্স ট্রেডিং করবেন, আপনাকে Pair বা জোড় এর মাধ্যমে ক্রয়/বিক্রয় করতে হবে।
Tug of war
মনে করুন, এই রশির দুই প্রান্তে দুটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা রয়েছে। এক্সচেঞ্জ রেট ওঠা-নামা করে, কখন কোন
কারেন্সি শক্তিশালী তার ওপর ভিত্তি করে।
প্রধান কারেন্সি পেয়ার-সমূহ:
নিচের কারেন্সি পেয়ারগুলোকে প্রধান কারেন্সি পেয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারেন্সি পেয়ার গুলো USD পেয়ার এবং সহসাই ট্রেড করা হয়। এই প্রধান পেয়ার গুলোর তারল্য সবচেয়ে বেশি এবং এগুলো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা হয়।

প্রধান ক্রস-কারেন্সি অথবা অপ্রধান কারেন্সি পেয়ার-সমূহ:

ইউ. এস. ডলার ব্যাতিত কারেন্সি পেয়ারসমূহকে ক্রস-কারেন্সি পেয়ার অথবা শুধু ক্রস পেয়ার বলা হয়। প্রধান ক্রসগুলো অপ্রধান কারেন্সি পেয়ার নামেও পরিচিত। সবচেয়ে বেশি ট্রেডকৃত ক্রস পেয়ারগুলো এসেছে – EUR, GBP এবং JPY থেকে।

Euro Crosses

Yen Crosses

Pound Crosses

Other Crosses

Exotic Pairs

একটি প্রধান কারেন্সির সাথে আরেকটি কারেন্সি পরিপুরক হিসেবে যেই পেয়ারে যুক্ত হয়, তাকে Exotic পেয়ার বলে।

কিছু কিছু ফরেক্স ব্রোকারে এই কারেন্সি পেয়ারগুলো ট্রেড করা যায়। এগুলো প্রধান এবং ক্রস পেয়ার গুলোর মত

অত্যাধিক ট্রেড করা হয়না।
Exotic পেয়ারগুলোর স্প্রেড EUR/USD অথবা USD/JPY এর তুলনায় দুই অথবা তিন গুন বেশি। তাই যদি
আপনি এই Exotic পেয়ারসমূহ ট্রেড করতে চান, তবে তা ভেবে করবেন।

11 – কিভাবে ফরেক্সে লাভ/লস হয়

ফরেক্স মার্কেটে আপনি বাই (buy) অথবা সেল (sell) করবেন।
একটি ট্রেড খোলা খুবই সোজা। ট্রেড খোলার পদ্ধতি সহজ এবং আপনার যদি স্টক মার্কেটে ট্রেড করার অভিজ্ঞতা থাকে তবে আপনি তা আর তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন।
মনে করুন আপনি ১.১৮০০ এক্সচেঞ্জ রেটে  EUR/USD – তে ১০,০০০ ইউরো কিনলেন $১১,৮০০ ডলার দিয়ে। দুই সপ্তাহ পর EUR/USD এক্সচেঞ্জ রেট বেড়ে ১.২৫০০ হল। তখন আপনি $১২,৫০০ ডলারে তা বিক্রি করলে আপনার লাভ হবে $৭০০ ডলার।
এক্সচেঞ্জ রেট হল একটি কারেন্সির সাপেক্ষে আরেকটি কারেন্সির দামের অনুপাত। যেমনঃ USD/CHF এর এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে, কত ইউ. এস. ডলার এর বিনিময়ে ১ সুইস ফ্রাঙ্ক কেনা যাবে, অথবা ১  ইউ. এস. ডলার কিনতে কত সুইস ফ্রাঙ্ক প্রয়োজন।
কিভাবে ফরেক্স কোটেশন পড়তে হয়
প্রতিটি ট্রেডে আপনি একই সাথে একটি কারেন্সি কিনেন এবং আরেকটি বিক্রি করেন। তাই ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সি পেয়ারের দাম কোটেশন এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
GBP/USD এর ফরেন এক্সচেঞ্জ রেট নিম্নরূপঃ
GBP/USD quote
স্লাশ (/) এর আগের কারেন্সিকে বলা হয় বেস (base) কারেন্সি এবং স্লাশ (/) এর পরের কারেন্সিকে বলা হয় কিউটো (quote) কারেন্সি।
এখানে GBP হল বেস (base) কারেন্সি এবং USD হল কিউটো (quote) কারেন্সি।
বাই (buy) করার সময়, এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি কেনার জন্য কত ইউনিট কিউটো কারেন্সি দিতে হবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড কেনার জন্য ১.৫১২৫ ইউ. এস. ডলার দিতে হবে।
সেল (sell) করার সময়,  এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি সেল করলে কত ইউনিট কিউটো কারেন্সি পাওয়া যাবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রি করলে আপনি ১.৫১২৫ ইউ. এস. ডলার পাবেন।
বেস কারেন্সি হল বাই ও সেল এর মূল ভিত্তি। যদি আপনি EUR/USD বাই করেন, তবে আপনি বেস কারেন্সি EUR কিনছেন এবং একই সাথে কিউটো কারেন্সি USD বিক্রি করছেন। সহজ কথায়, EUR কেনা, USD বিক্রি করা।
আপনি কারেন্সি পেয়ারটি বাই করবেন যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে, কিউটো কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি শক্তিশালী হবে। এর আপনি সেল করবেন যদি আপনি মনে করেন কিউটো কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি দুর্বল হয়ে যাবে।
লং/সর্ট (long/short):
প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি বাই করবেন না সেল করবেন।
আপনি যদি বাই করতে চান (বেস কারেন্সি কেনা এবং কিউটো কারেন্সি বিক্রি করা), তার মানে আপনি চাচ্ছেন বেস কারেন্সির দাম বেড়ে যাক এবং আপনি সেটা বিক্রি করে দিবেন আরও বেশি দামে। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে লং (long) অথবা লং পজিশন নেয়া। মনে রাখবেন, লং = বাই (long = buy)।
আপনি যদি সেল করতে চান (বেস কারেন্সি বিক্রি করা এবং কিউটো কারেন্সি কেনা), তার মানে আপনি চাচ্ছেন বেস কারেন্সির দাম কমে যাক এবং আপনি সেটা কিনবেন আরও কম দামে। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে শর্ট (short) অথবা শর্ট পজিশন নেয়া। মনে রাখবেন, শর্ট = সেল(short= sell)।
Long dog, short dog
বিড/আস্ক (bid/ask):
 
EUR/USD quote
সব ফরেক্স কোটেশনে ২ টি প্রাইস দেখান হয়। বিড এবং আস্ক। প্রায় সবক্ষেত্রে বিড প্রাইস, আস্ক প্রাইস থেকে কম হয়।
বিড হল এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কিউটো কারেন্সির পরিবর্তে বেস কারেন্সি কিনতে চায়। অর্থাৎ, সেল করার জন্য বিড হল সবচেয়ে ভাল প্রাইস।
আস্ক হল এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কিউটো কারেন্সির পরিবর্তে বেস কারেন্সি বিক্রি করতে চায়। অর্থাৎ, বাই করার জন্য আস্ক হল সবচেয়ে ভাল প্রাইস।
বিড এবং আস্ক এর পার্থক্যই স্প্রেড (spread) নামে পরিচিত।
EUR/USD -র উপরের কোটেশনে বিড প্রাইস হল 1.3456 এবং আস্ক প্রাইস হল 1.3458.
অর্থাৎ, এখানে স্প্রেড 2 পিপস।
আপনি যদি সেল ক্লিক করেন তবে আপনি 1.3456 -এ সেল করবেন। আর যদি বাই ক্লিক করেন, তবে আপনি 1.3458 -এ বাই করবেন।

12 – ডেমো অ্যাকাউন্ট কি? কিভাবে ডেমো অ্যাকাউন্ট ওপেন করবেন?

DemoAccount.jpeg

ডেমো একাউন্টঃ
আপনি হয়ত ফরেক্স ট্রেড করতে আগ্রহী। কিন্তু আপনি জানেন না কিভাবে ফরেক্স ট্রেড করে। অনেকের কাছেই পিপস, লিভারেজ এগুলো শুনেছেন, কিন্তু ট্রেড না করায় এগুলো কিছুই বুঝতে পারছেন না। তাই আপনি হয়ত শুরুতেই ফরেক্সে ইনভেস্ট করতে ভয় পাচ্ছেন। কারন যেহুতু কিছুই পারেন না, লস করার সম্ভবনাটাই বেশী। কিন্তু এই আধুনিক যুগে আপনি কিন্তু কোন টাকা খরচ না করেই টেস্ট ট্রেড করতে পারেন। এজন্য ব্রোকাররা ডেমো ট্রেডের ব্যবস্থা রেখেছে। ডেমো অ্যাকাউন্টে আপনি ভার্চুয়াল মানি দিয়ে ট্রেডিং প্রাকটিস করতে পারবেন।

আপনি ডেমোতে লস করতে পারেন, এমনকি পুরো ব্যালেন্স উড়িয়ে দিতে পারেন, কোন সমস্যা নেই। এটা শুধুমাত্র আপনার দক্ষতাকে আরও বাড়ানোর জন্য। আপনি যত ট্রেড করবেন, আপনি তত ট্রেড শিখবেন। আপনি ভালভাবে ট্রেডিং শেখার আগে আপনার রিয়েল ট্রেড শুরু করা উচিত নয়। কারন তাহলে কিন্তু আপনার লস করার সম্ভবনাই বেশী থাকবে। তাই ডেমো ট্রেড করে আপনি যখন আপনার ট্রেডিং নিয়ে সন্তুষ্ট হবেন, তখনই শুধুমাত্র রিয়েল ট্রেড শুরু করা উচিত।

কতদিন ডেমো ট্রেডিং করা উচিত?
কমপক্ষে ২ মাস ডেমো ট্রেড করা উচিত। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন সময় নেই।

ডেমো ট্রেড করলে কি লাভ?

=>> ডেমো ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে আপনি ফরেক্সের বিভিন্ন কৌশল গুলো শিখতে পারবেন
=>> বিভিন্ন ট্রেডিং স্ট্রাটেজি টেস্ট করতে পারবেন
=>> আপনার লস করার কারন গুলো চিহ্নিত করতে পারবেন এবং তা শুধরে নিতে পারবেন
=>> নতুন কোন EA কিংবা ইন্ডিকেটরের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন
সর্বমোট আপনার ট্রেডিংকে আরও উন্নত করার জন্য ডেমো ট্রেডিং আপনাকে অনেকভাবে সাহায্য করবেকিভাবে ডেমো ট্রেড শুরু করবেন?
ডেমো বা রিয়েল ট্রেড করার জন্য আপনার একটি সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হবে। যেটাকে ফরেক্সের ভাষায় বলা হয় ট্রেডিং টার্মিনাল। অধিকাংশ ব্রোকার মেটাট্রেডার টার্মিনাল ব্যবহার করে। আমাদেরকেও একটি মেটাট্রেডার টার্মিনাল ডাউনলোড করতে হবে।। নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি ডেমো অ্যাকাউন্ট ওপেন করুন এবং মেটাট্রেডার প্লাটফর্ম ডাউনলোড করুন।
ডেমো একাউন্ট ওপেন করুন…
ডাউনলোড করার পর আপনার মেটাট্রেডার টার্মিনালটি ওপেন করুন।
নিচের এই উইন্ডোটি আসবে। এটি ফিল-আপ করুন। তারপর Next এ ক্লিক করুন…
Demo1.jpg

অথবা File থেকে Open an account এ ক্লিক করুন।
নিচের এই উইন্ডোটি আসবে। এটি ফিল-আপ করুন। তারপর Next এ ক্লিক করুন…

Demo2.jpg

Broker Demo Server সিলেক্ট করুন এবং Next এ ক্লিক করুনঃ

ডেমো অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে। এখন অ্যাকাউন্ট নং এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষন করে Finish এ ক্লিক করুন। এখন নিচের স্ক্রীনটি দেখতে পাবেন।

Demo3.jpg

আপনার প্রথম ট্রেডঃ

আমরা ফরেক্স সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনেছি। ডেমো অ্যাকাউন্টও ওপেন করেছি। এখন আমরা ট্রেড শুরু করব। কিভাবে আমরা একটি ট্রেড ওপেন করে তা ক্লোজ করতে পারি তা এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে।
প্রথমে EURUSD তে ট্রেড ওপেন করার জন্য “Market Watch” উইন্ডো থেকে EURUSD তে ডাবল ক্লিক করুন।
Demo4.jpg
নিচের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে। EURUSD বাই করতে চাইলে “BUY” এ ক্লিক করুন।
Demo5.jpg
নিচের মত একটি ট্রেড ওপেন হবে। স্প্রেডের কারনে ট্রেডটি কিছু লসে ওপেন হবে।
Demo6.jpg

Stop loss বা Take profit সেট করতে চাইলে SL বা TP তে ডাবল ক্লিক করুন।

Demo7.jpg

একটি উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে আপনি স্টপ লস এবং টেক প্রফিট সেট করতে পারবেন।

Demo8.jpg

স্টপ লস এবং টেক প্রফিট সেট হয়ে গেছে। ঐ প্রাইসে গেলে ট্রেড একাকী ক্লোজ হয়ে যাবে।

Demo9.jpg

ট্রেডটি এখন $১ লাভে আছে। এখন আপনার ইকুইটি $৫০০১, কিন্তু ব্যালেন্স $৫০০০. ট্রেডটি ক্লোজ করে দিলে আপনার ব্যালেন্স $৫০০১ হয়ে যাবে। SL/TP প্রাইসে গেলে ট্রেডটি একাকী ক্লোজ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি এখনই ক্লোজ করে দিতে চান, তবে আপনি প্রফিটের ওপর ডাবল ক্লিক করুন।

Demo10.jpg

দেখবেন ট্রেড ক্লোজ হবার জন্য একটি উইন্ডো ওপেন হবে। হলুদ ক্লোজ বাটনে ক্লিক করুন।

Demo11.jpg

ট্রেডটি $১ প্রফিটে ক্লোজ হয়ে গেছে।   এখন আপনার নতুন ব্যালেন্স $৫০০১

Demo12.jpg

 13 – ফরেক্স ট্রেডিং এ ব্যালেন্স, ইকুইটি, মার্জিন, ফ্রি মার্জিন, মার্জিন লেভেল

14 – আপনার প্রথম ট্রেড

আমরা ফরেক্স সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনেছি। ডেমো অ্যাকাউন্টও ওপেন করেছি। এখন আমরা ট্রেড শুরু করব। কিভাবে আমরা একটি ট্রেড ওপেন করে তা ক্লোজ করতে পারি তা এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে।
মেটাট্রেডারে অ্যাকাউন্টে লগিন করার পর এই স্ক্রীনটি দেখতে পাবেন।

EURUSD তে ট্রেড ওপেন করার জন্য “Market Watch” উইন্ডো থেকে EURUSD তে ডাবল ক্লিক করুন।

নিচের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে। EURUSD বাই করতে চাইলে “BUY” এ ক্লিক করুন।

নিচের মত একটি ট্রেড ওপেন হবে। স্প্রেডের কারনে ট্রেডটি কিছু লসে ওপেন হবে।

Stop loss বা Take profit সেট করতে চাইলে SL বা TP তে ডাবল ক্লিক করুন।

একটি উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে আপনি স্টপ লস এবং টেক প্রফিট সেট করতে পারবেন।

দেখুন স্টপ লস এবং টেক প্রফিট সেট হয়ে গেছে। ঐ প্রাইসে গেলে ট্রেড একাকী ক্লোজ হয়ে যাবে।

ট্রেডটি এখন $১ লাভে আছে। এখন আপনার ইকুইটি $৫০০১, কিন্তু ব্যালেন্স $৫০০০. ট্রেডটি ক্লোজ করে দিলে আপনার ব্যালেন্স $৫০০১ হয়ে যাবে। SL/TP প্রাইসে গেলে ট্রেডটি একাকী ক্লোজ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি এখনই ক্লোজ করে দিতে চান, তবে আপনি প্রফিটের ওপর ডাবল ক্লিক করুন।

দেখবেন ট্রেড ক্লোজ করার জন্য একটি উইন্ডো ওপেন হবে। হলুদ ক্লোজ বাটনে ক্লিক করুন।

ট্রেডটি $১ প্রফিটে ক্লোজ হয়ে গেছে।

এখন আপনার নতুন ব্যালেন্স $৫০০১.

জুনিয়র লেসন (ব্রোকার ও মেটাট্রেডার ৪ পরিচিতি )

01.নতুনদের জন্য ফরেক্স – ফরেক্স ট্রেডিং কিভাবে শুরু করবেন?

02.ফরেক্স ব্রোকার কি ? ব্রোকার কয় প্রকার ও কি কি ?

ডেমো একাউন্ট ওপেন করুন (1), (2) , (3)
কিভাবে ফরেক্স লাইভ অ্যাকাউন্ট ওপেন ও ভেরিফাই করা যায়?

অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন

অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন
প্রায় সব ফরেক্স ব্রোকারের সাথেই আইডেনটিটি ভেরিফাই করতে হয়ভেরিফাই মানে আপনি যে তথ্য দিয়ে তাদের কোম্পানিতে জয়েন করেছেন এবং ট্রেড করছেন তা আসলেই সঠিক কিনাঅধিকাংশ ব্রোকারেই ভেরিফাই করতে হয়কিন্তু কিছু কিছু ব্রোকারে ভেরিফাই না করেও ট্রেড করা যায়
ভেরিফাই করতে কি কি ডকুমেন্টস দরকারঃ
=>> আপনার পাসপোর্ট/ ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ ড্রাইভিং লাইসেন্স – এর কম্পিউটার স্ক্যান কপি
=>> আপনার অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস

পাসপোর্ট/ ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ ড্রাইভিং লাইসেন্স – এর কম্পিউটার স্ক্যান কপিঃ
ভেরিফাই করার জন্য আপনার পাসপোর্ট/ ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ ড্রাইভিং লাইসেন্স – এর কম্পিউটার স্ক্যান কপি ফরেক্স ব্রোকার সাইটে আপলোড করতে হবেআপনি পাসপোর্ট অথবা ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে তা ইমেজ ফরম্যাটে সেভ করে তা আপলোড করতে পারেনআপনার যদি পাসপোর্ট/ ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে, তবে আপনি ভেরিফাই করতে পারবেন নাফরেক্স ব্রোকাররা স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড দিয়ে ভেরিফাই করে নাকিন্তু কেউ কেউ বলেছে তারা নাকি ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করেছেসবচেয়ে ভাল হয় পাসপোর্ট থাকলেকারন পাসপোর্ট আপনার সবসময়ই কাজে লাগবেতাছাড়া বাংলাদেশের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের অনেক তথ্য বাংলায় থাকায় অল্প কিছু ব্রোকার তা গ্রহন করে না

অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টসঃ
অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস ভেরিফাই করার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত করবেন যে আপনি ফরেক্স ব্রোকারে জয়েন করার সময় যে ঠিকানা দিয়েছেন তা সঠিকআপনি অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস হিসেবে যেকোনো ইউটিলিটি বিল যেমন – মোবাইল বিল, ইন্টারনেট বিল, কারেন্ট-গ্যাস বিল দিতে পারেনঅর্থাৎ, যে বিলে ইংলিশে আপনার নাম, ঠিকানা লেখা আছে এবং যা ৩-৬ মাস এর পুরনো নয় তা আপনি ভেরিফাই করার জন্য ব্যবহার করতে পারেনবাংলালায়ন, কিউবি ইত্যাদির বিল দিয়েও ভেরিফাই করা যাবে

ভেরিফাই করা কি জরুরী?
হ্যাঁকারন ভেরিফাই করা ছাড়া আপনি অনেক ভাল ব্রোকারে ট্রেড করতে পারবেন নাএবং আপনি অনলাইনে যেই পছন্দসই ব্রোকারে ট্রেড করতে চাননা কেন, তারা ভেরিফাই চাবেতাই ভেরিফাই এর ডকুমেন্টস জোগাড় করে রাখাটাই ভাল

আমার ভেরিফাই করার ডকুমেন্টস নেইআমি কি করবো?
আপনার যদি ভেরিফাই করার মত ডকুমেন্টস না থাকে তবে আপনি ভাল হয় একটি পাসপোর্ট ইস্যু করে নিনএটা আপনার পরবর্তী জীবনে সবসময়ই কাজে লাগবেঅ্যাড্রেস ভেরিফাই এর জন্য ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের কাছে বিলের একটি প্রিন্টেড কপি দিতে বলুন

ভেরিফাই ছাড়া ট্রেডিং?
হ্যাঁআপনি ভেরিফাই ছাড়াও ট্রেড করতে পারেনইন্সটাফরেক্সে ট্রেড করতে ভেরিফাই বাধ্যতামূলক নয়হটফরেক্সে FSA রেগুলেটেড ব্রোকার হবার কারণে এইখানে ট্রেড করতে হলে ভেরিফাই বাধ্যতামূলক। আপনি কোন প্রকার ভেরিফাই ছাড়াই এই ব্রোকারে ট্রেড করতে পারেনকিন্তু ইন্সটাফরেক্স কর্তৃপক্ষ যে কোনদিন আপনার কাছে ভেরিফাই এর ডকুমেন্টস চাওয়ার অধিকার রাখেআরও অনেক ব্রোকারে ভেরিফাই বাধ্যতামূলক নয়অনেক ব্রোকারে আপনি ভেরিফাই না করেও ট্রেড করতে পারবেন, কিন্তু বড় পেমেন্ট নেয়ার আগে অবশ্যই ভেরিফাই করতে হবেFBS, Fxoptimax সহ অনেক ব্রোকারে ভেরিফাই না করেই ট্রেড শুরু করা যায়কিন্তু বড় পেমেন্ট পেতে হলে আপনাকে তখন ভেরিফাই করতে হবে

ডিপোজিট এবং উইথড্র

কীভাবে ফরেক্স ডিপোজিট ও উইথড্র করবেন? কীভাবে ফ্রি মাস্টারকার্ড ও $২৫ ফ্রি বোনাস পাবেন?

মার্জিন ট্রেডিং (Margin Trading) কী?

                       স্কুল লেসন

(ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস)

মার্কেট এনালাইসিস কী? বিভিন্ন ধরণের এনালাইসিস সম্পর্কে জানুন, কাজে লাগবে

(ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস )

নিউজ ট্রেডিং কী? নিউজ কিভাবে বুঝবেন ?  নিউজ ইম্প্যাক্ট কী?ফরেক্স নিউজ ট্রেডিং কিভাবে করবেন?জেনে নিন এখনই

নিউজ ট্রেড কিভাবে করবেন? ২ টি সিস্টেম

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইকোনমিক ইন্ডিকেটর যা ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের জন্য জানা জরুরী

স্পাইক কি? ফরেক্স মার্কেটে কেন স্পাইক তৈরি হয়?

FOMC কি? ফরেক্স মার্কেটে FOMC এর প্রভাবটাই বা কি?

NFP কি? এসময় মার্কেট কেন এত মুভমেন্ট করে?

(টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস)

জাপানী ক্যান্ডেলস্টিক কি?

02 ব্যাসিক ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন

03 সিঙ্গেল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন 

04 ডুয়াল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নসমূহ

05 ট্রিপল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন 

সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স

মার্কেট ট্রেন্ড, ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ডলাইন ড্রইং এবং ট্রেন্ডের গুরুত্ব সম্পর্কে জেনে নিন

ট্রেন্ড লাইন রিফিউজ স্ট্রাটেজি

লাইনগুলো দিয়ে কিভাবে ট্রেড করবেন?

চ্যানেল ট্রেডিং সম্পর্কে কিছু কথা

 

                       কলেজ লেসন 

চার্ট প্যাটার্ন কী?

ডাবল টপ ও ডাবল বটম চার্ট প্যাটার্ন কী?

হেড এন্ড শোল্ডার (Head and shoulders) চার্ট প্যাটার্ন কী?

ওয়েজ (Wedges) চার্ট প্যাটার্ন কী?

রেক্টেঙ্গেল চার্ট প্যাটার্ন কী?

পেনান্ট ও ফ্ল্যাগ চার্ট প্যাটার্ন কী?

ট্রায়াঙ্গেল  চার্ট প্যাটার্ন কী?

ব্রেকআউটের গল্প – ১

ফেকআউট ট্রেড করা

                       ইউনিভার্সিটি লেসন

ফিবোনাচ্চি কে ও কি ?

ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

ফিবোনাচ্চির ব্যর্থতা সম্পর্কে জানুন

ফিবোনাচ্চি সংখ্যা কী? কিভাবে তা সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স হিসেবে কাজ করে ?

ফিবোনাচ্চি দিয়ে  সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স নির্ধারণ করুন!

ফিবোনাচ্চি বনাম  ট্রেন্ডলাইন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

ফিবোনাচ্চি ও ক্যান্ডেলস্টিক সমন্বয় সাধন!!!

ফিবোনাচ্চি এক্সটেনশন (Fibonacci Extension) সম্পর্কে কিছু আলোচনা

ট্রেড ক্লোজে ফিবোনাচ্চির ব্যবহার কিভাবে করবেন?

ফিবনাচ্চি (Fibonacci)! এবং অটো ফিবনাচ্চি রিট্রেসমেনট ইনডিকেটর

ফিবনাচ্চি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি

পিভট পয়েন্ট

পিভট পয়েন্ট কী? কিভাবে পিভট পয়েন্ট গণনা করবেন?কিভাবে এটি দিয়ে ট্রেড করবেন? ইত্যাদি সব প্রশ্নের উত্তর জানতে এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন

এলিয়ট ওয়েভ থিওরি  বা এলিয়ট তরঙ্গ তত্ত্ব

এলিয়ট ওয়েভ থিওরি  বা এলিয়ট তরঙ্গ তত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন -সফল ট্রেডার হতে এটি অবশ্যই পড়ুন

প্রাইস অ্যাকশন

প্রাইস একশন – ১ম অংশ (সূচনা)

আমাদের সাইট-এ আরও অনেক মূল্যবান তথ্য, টিপস ও নিউজ রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় যোগ হচ্ছে ,তাই নিয়মিত ভিজিট করার বিনম্র অনুরোধ করছি বা এখনই একটি একাউন্ট করে ফেলুন যাতে নতুন পোস্ট হলেই আপনি জানতে পারেন বা ইমেইল সাবস্ক্রাইব ও করতে পারেন। নিচের সোশ্যাল পেজসমূহে লাইক /ফলো করে সব সময় সঙ্গেই থাকুন :-
ফেসবুকে লাইক করুন
ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন
টুইটারে ফলো করুন
গুগল প্লাসে জয়েন করুন
ব্লগে সাবস্ক্রাইব করুন